• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bomb Blast

রাজ্য

তৃণমূলের বিজয় মিছিলে কিশোরীর মৃত্যু, ৬ মাস পর চরম সিদ্ধান্ত তামান্নার মায়ের

ছয় মাস আগে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া বোমায় প্রাণ হারিয়েছিল নাবালিকা তামান্না খাতুন। সেই ঘটনার পর থেকেই মানসিক চাপে ভুগছিলেন তাঁর মা সাবিনা ইয়াসমিন। অবশেষে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হল তাঁকে। বর্তমানে তিনি শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।পরিবারের দাবি, মেয়ের খুনের ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। এখনও সব অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়নি। এই অনিশ্চয়তা এবং লাগাতার আতঙ্কের জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে খাবার খাওয়ার পর সাবিনা ইয়াসমিন অতিরিক্ত কয়েকটি ঘুমের ওষুধ খান। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে পলাশী মীরা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৩ জুন নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন তৃণমূলের বিজয় উৎসব চলাকালীন বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তামান্না খাতুনের। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, মোট অভিযুক্তের সংখ্যা আরও বেশি এবং অনেকেই এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মামলা আদালতে চললেও বিচার আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে পরিবারে সংশয় রয়েছে।তামান্নার পরিবারের অভিযোগ, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা জামিনে ছাড়া পেয়ে গেলে ফের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের দিক থেকে নানা হুমকিও আসছে বলে দাবি। এই আতঙ্কেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তামান্নার মা।তামান্নার কাকা রবিউল শেখ বলেন, মেয়ের মৃত্যুর পর থেকেই সাবিনা ইয়াসমিন শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। নিয়মিত ওষুধ খেতেন। এখনও অনেক অভিযুক্ত ধরা পড়েনি। যাঁরা ধরা পড়েছেন, তাঁরা জামিন পেলে ফের বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। এই ভয় আর চাপই তাঁকে চরম অসুস্থতার দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
কলকাতা

বোমা বিস্ফোরণে ত্রিকোণ প্রেম! খুন করতে এসেছিলেন প্রেমিকার স্বামীকে?

রবিবার গভীর রাতে মধ্যমগ্রাম বয়েজ হাই স্কুলএর পাশেই ঘটে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ। যেখানে উত্তরপ্রদেশের যুবক সচ্চিদানন্দ মিশ্র প্রাণ হারিয়েছে। পরে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনাটির পেছনে রয়েছে একটি ত্রিকোণ প্রেমের জটিলতা।সচ্চিদানন্দ মিশ্র (২৬), উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ও আইটিআই-প্রশিক্ষিত একজন ফিটার। জানা গিয়েছে, নিজেই বোমাটি তৈরি করেছিলেন। ইলেকট্রনিক ডিভাইসে মোড়ানোযা বিস্ফোরিত হয়ে তার মৃত্যু ঘটে। পুলিশ তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন তার প্রেমিকার স্বামীকে হত্যার জন্য মধ্যমগ্রামে যান। কিন্তু বোমাটি তার নিজের হাতেই আগে ফেটে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া যায় স্টিলের অংশ, ব্যাটারি, তার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। এগুলো প্রমাণ করে এটি একটি স্বনির্মিত আইইডি ছিল। এর মধ্যে রহস্যজনক বিষয়, কীভাবে তিনি স্বাধীনতা দিবসের নিরাপত্তার মাঝেও বিষ্ফোরণ নিয়ে এসেছিলেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সচ্চিদানন্দ প্রায়ই মধ্যমগ্রামে আসতেন। দেখা করতেন বিবাহিতা প্রেমিকার সঙ্গে। এমনকী ওই প্রেমিকার বাড়িতেও যেতেন। তখন তার স্বামী বাড়িতে থাকতেন না। প্রেমিকা বাড়িতে অপমানিত হয়েছে বলে তার স্বামীকে খুন করতেই মধ্যমগ্রামে এসেছিলেন ওই যুবক। একথা তিনি মৃত্যুর আগে পুলিশকে জানিয়ে গিয়েছেন বলে খবর। বোমা তৈরির ক্ষেত্রেও তার আইটিআই দক্ষতা কাজে লাগিয়েছিল। ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে এবং হরিয়ানার একটি গ্লাস ফ্যাক্টরিতে রাসায়নিকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছে সচ্চিদানন্দ। এদিকে এই ঘটনায় প্রেমিকা ও তার স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এসটিএফ। বোমা বিষ্ফোরণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপির যুব মোর্চা।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি ও বিধায়কের প্রাণনাশের আশঙ্কায় তোলপাড়, বোমায় উড়েছে বাড়ি, মৃত্যু একজনের

পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা বাঁধার সময় বিরাট বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে একাধিক বাড়ি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বোমা বাঁধতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এক দুস্কৃতীর। জখম হয়েছে আরও তিন সদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রাজৌর গ্রামে। এই বিষ্ফোরণের পর প্রাণনাশের আশঙ্কায় আতঙ্কিত খোদ পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা তৃণমূলের শীর্ষনেতার আশঙ্কায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, আমার ওপর হামলা হতে পারে। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হতে পারে। তার জন্য়ই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা তুফান চৌধুরী বোমা বাঁধছিল। তুফানের মাথার ওপর হাত ছিল জঙ্গল শেখের। বোমা ফেটে বাড়ি উড়ে যায় কাটায়োরার রাজৌর গ্রামে। জঙ্গল শেখের পরিকল্পানা ছিল পার্টি অফিসে আক্রমণ করা। পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯ টা নাগাদ রাজৌর গ্রামে ভয়ঙ্কর বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফেরণে মৃত্যু হয় বরকত শেখের(২৮)। এই দুষ্কৃতীর বাড়ি বীরভূমের নানুর থানার সিয়ালা গ্রামে। জখমরা হল সেখ তুফান চৌধুরী, ইব্রাহিম সেখ ও সফিক মণ্ডল। জখম তিন জনই রাজৌর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ রাতেই চিকিৎসার জখম তিনজনকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তুফানকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ তুফান চৌধুরীকে করেছে। এই তুফানই বোমা বাঁধার মূল পান্ডা। জানা গিয়েছে, তারা লম্বু শেখের বাড়িতে বোমা বাঁধছিল। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বালি খাদানে দখলদারি করার উদ্দেশ্যেই এই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। এতে নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জঙ্গল শেখের। তার নির্দেশে তুফানরা বোমা বাঁধছিল বলে অভিযোগ। বোমা বেশ উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বলে মনে করা হচ্ছে। জঙ্গল শেখের নেতৃত্বে বোমা বাঁধা হচ্ছিল বলে দাবি করেছেন তৃণমূল জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। ২০১৫ সালে কাটোয়া পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের কাউন্সিলর হয়েছিলেন জঙ্গল শেখ। এমনকী পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তখন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন। পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জঙ্গল শেখ দীর্ঘ দিন জেলে ছিলেন। এখন জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৫
রাজ্য

এবার সামশেরগঞ্জে বোমা ফেটে জখম দুই নাবালক

ফের খবরের শিরোনামে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ। মঙ্গলবার বিকেলে সামসেরগঞ্জ থানার চকসাপুরে বোমা ফেটে জখম হয় দুই বালক। জখম দুজনের হল রবিজুল শেখ (১১) এবং রাকিব শেখ(১১)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুইজনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে তাদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের অন্য ছেলেদের সঙ্গে ওই দুইজন চকসাপুরের মাঠে খেলা করছিল। খেলার সময় বল মাঠের পাশে ঝোঁপে চলে যায়। ওই দুইজন বল আনতে গেলে ঝোঁপের মধ্যে রাখা বোমা ফেটে যায়। বোমা ফাটার শব্দ পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং দেখেন দুইজন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে। তড়িঘড়ি দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সামসেরগঞ্জ থানার জনৈক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৫
রাজ্য

ভয়ংকর বিস্ফোরণ কেতুগ্রামে, উড়লো ছাদ - ভাঙলো ইটের দেওয়াল

গুলি, বিষ্ফোরণের পালা চলছে। এবার ভয়ংকর বিস্ফোরণ পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের চেঁচুড়া গ্রামে। বিস্ফোরণে উড়ে গেল পরিত্যক্ত বাড়ির শৌচাগারের কংক্রিটের ছাদ। গুড়িয়ে গিয়েছে শৌচাগারের ইটের দেওয়ালের একাংশ। গতকাল, রবিবার সন্ধ্যায় এই বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে চেঁচুড়া গ্রামে। খবর পেয়ে কেতুগ্রাম থানার আই সি ও কাটোয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কিশিনাথ মিস্ত্রির নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে যায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, কেউ গোপনে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির শৌচাগারে প্রচুর বোমা বা বিস্ফোরক পদার্থ মজুত করে রেখেছিল। কারা কি উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত ওই শৌচাগার শক্তিশালী বোমা মজুত রেখেছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে । উল্লেখ্য, দুদিন আগে কল্যাণীতে বেআইনি বাজির কারখানায় বিষ্ফোরণে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যে বাড়ির শৌচাগারে এদিন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে সেই বাড়িতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে কেউ থাকেন না। বাড়ির মালিকরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। বছরে একবার তাঁরা আসেন। ঘটনাস্থল মুর্শিদাবাদের বর্ডার সংলগ্ন। ঘটনাস্থলের আশপাশের বাড়ির বাসিন্দারা বলেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তাঁদের বাড়ি পর্যন্ত কেপে উঠেছিল। তাই ঘটনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে তটস্থ ঘুম ছুটেছে চেঁচুড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের।বিগত লোকসভা ভোটের আগের রাতেই বাইকে চড়ে বাড়ি ফেরার সময় দুস্কৃতি হামলায় খুন হন চেঁচুড়ি গ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি মিন্টু শেখ। বোমা মেরে ও কুপিয়ে তাঁকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। ওই হামলায় মিন্টুর এক সঙ্গী মিশির শেখ ওরফে নজরুল ইসলাম গুরুতর জখম হয়েছিল। আজও ওই খুনের হামলাকারী দুস্কৃতীদের নাগাল পায়নি পুলিশ। সেই আতঙ্ক আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি চেঁচুড়ি গ্রামবাসী। তারই মাঝে ভয়ংকর বিস্ফোরণে একটা পরিত্যক্ত বাড়ির শৌচাগারের কংক্রিটের ছাদ উড়ে যাওয়ার ঘটনায় সিঁদূরে মেঘ দেখছে গ্রামবাসীরা।কাটোয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (SDPO) কাশিনাথ মিস্ত্রি জানিয়েছেন,ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। যে বাড়ির শৌচাগারে বিস্ফোরণ ঘটেছে ওটি পোড়ো বাড়ি। ১৫-১৬ বছর ধরে ওই বাড়িতে কেউ থাকেন না। আমারা সুয়োমোটো মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছি ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজনীতি

ভাঙড়ে মনোনয়ন ঘিরে ধুন্ধুমার, মুড়ি-মুরকির মত বোমাবাজি, এখনও ভোট বাকি

পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমার চতুর্থ দিনেও বাংলায় হিংসা ছড়াল। মঙ্গলবারও উত্তপ্ত হল ভাঙড়। আইএসএফ প্রার্থীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভাঙড়-২ ব্লকে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মনোনয়ন জমা না দিতে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন আইএসএফ কর্মীরা। প্রতিরোধ করলেই উভয় দলের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এদিকে আরাবুল ইসলামের ছেলের গাড়ির ড্যাস বোর্ডে মিলেছে তাজা বোমা।এর মধ্যেই বোমাবাজি শুরু হয় ভাঙড়ের ২ ব্লক অফিসের এক কিলোমিটারের মধ্যে। বিজয়গঞ্জ বাজারের কাছে মাঠ এলাকায় মুড়ি-মুরকির মত বোমা পড়তে থাকে। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি, হয়। ছোড়া হয় ইট-পাথর। ফলে শুরুর দিকে পিছু হঠতে থাকে পুলিশ। এর মিনিট পাঁচেক পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় হয় পুলিশ বাহিনী। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। আহত হয়েছেন এক এসআই।স্থানীয়দের দাবি, সাত রাউন্ড গুলি চলেছে।। অশান্তি এড়াতে মনোনয়ন কেন্দ্রের এক কিলোমিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কমিশন। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয়নি তা সোমবার থেকে একাধিক হিংসার ঘটনাতেই স্পষ্ট। প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে বিডিও অফিসের কাছে মনোনয়নের সময় প্রচুর মানুষ জড়ো হলেন হলেন তা নিয়েই। ভাঙড়ে অশান্তির খবর সামনে আসতেই কমিশনকে জেলা শাসককে ফোন করে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা।ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি বলেছেন, আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনময় ঠেকাতেই এই কাজ করছে তৃণমূলের গুন্ডারা। সকালেই আমি পুলিশকে ফোন করে সতর্ক করেছিলাম। কিন্তু, পুলিশ পদক্ষেপ করেনি। তাই যা হওয়ার তাই হচ্ছে। পুরোটাই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে জানান নওসাদ। পাল্টা তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার দাবি, সকাল থেকেই এলাকা অশান্ত করে তুলেছে আইএসএফ। বোমাবাজিতে তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। যথেচ্ছভাবে তাদের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।মনোনয়নপত্র তোলাকে কেন্দ্র করে সোমবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। দফায় দফায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি চলে রাতভরই। ভোর হতেই শুরু হয় বোমাবাজি। আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বে মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা আইএসএফ প্রার্থীদের। সেই নিয়ে যাতে কোনওরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় তার জন্য সকাল থেকে রাস্তায় নেমে টহল দিচ্ছিল কাশিপুর থানা এবং বারুইপুর থানার পুলিশ। ছিল ব়্যাফ। ভাঙড়ের অতিরিক্ত ডিএসপি মহিদুল্লা এবং বারুইপুরের ডিএসপি শঙ্কর চ্যাটার্জীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ঠেকানো গেল না হিংসা।

জুন ১৩, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল ভাতার, ব্যাপক বোমাবাজি, জখম আট

তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার। শুক্রবার ভাতারের মোহনপুরে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্য়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি চলে। গুলিও চলে বলে অভিযোগ। সংঘর্ষে জখম হয়েছে ৮ জন। ঘটনাস্থলে গিয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। আহতদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হালপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এদিন সংঘর্ষের পর মোহনপুর গ্রাম জনমানব শূন্য হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভাতার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ। নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা যাতে না ঘটে তাই পুলিশি টহল চলছে। বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে ভাতার থানার পুলিশ।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি জখম আমির মল্লিক জানান, ভাতারের প্রাক্তন বিধায়ক সুভাষ মণ্ডলের সঙ্গে বর্তমান বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর অনুগামীদের মধ্যে ঝামেলা হয় জমি দখলকে নিয়ে।

জুন ২৪, ২০২২
রাজ্য

গোয়ালঘরের পাশে বোমা ফেটে আহত এক, আতঙ্ক বর্ধমানে

বাড়ির কাজ করার সময় গোয়াল ঘরের পাশে পরে থাকা বোমা ফেটে আহত হল এক ব্যক্তি। বর্ধমান শহরের বাহির সর্বমঙ্গলা পাড়ার ঘটনা। আহত ব্যক্তির নাম অসীম বিশ্বাস। রবিবার সকালে অসীম বাবু তার বাড়ির বাইরে থাকা গোয়াল ঘর ও গোয়াল ঘর সংলগ্ন এলাকা পরিস্কার করছিলেন। সেই সময় হঠাৎই বোমা ফাটে। বোমার আঘাতে আহত হন অসীম বাবু। তড়িঘড়ি তাঁকে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্কের পরিবেশ শৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। পুরো জায়গাটিকে ঘিরে রাখা হয়েছে। আশেপাশে আরও বোমা রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এসে পৌঁছেছে ডি আই বি বোম স্কায়াডের সদস্যরাও। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, যে জায়গায় বোমা ফেটেছে সেই জায়গায় ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা বিকালে খেলা করতে যেত। এই ঘটনা যদি বিকালে ঘটতো তা হলে প্রাণহানী হতে পারতো বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। তাদের দাবি, এলাকায় পুলিশি টহলদারি বাড়াতে হবে। উল্লেখ্য, বছর খানেক আগে ঘটনাস্থল থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে রসিকপুর এলাকায় বোমা ফেটে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।বর্ধমানের রসিকপুরে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় এক শিশু। বোম বিস্ফোরণে এক শিশুর মৃত্যু হয়, জখম হয় আর এক শিশু। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়। তারপর একটা বছর কেটে গেছে। অপরাধীরা ধরা পড়েনি।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে পুরভোটের মুখে কেতুগ্রামে বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণ-গ্রেফতার তিন

ক্লাবঘরে বসে বোমা বাঁধার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় আহত হল এক দুস্কৃতী। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম-১ ব্লকের আনকোনা পঞ্চায়েতের ইছাপুর গ্রামে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। তারা ঘটনাস্থল থেকে ১১ টি তাজা বোমা ও বেশ কিছু পরিমাণ বোমা তৈরির মশলা উদ্ধার করে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আহত একজন সহ মোট ৩ দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করে। এদিকে পুরভোটের সময়ে ঘটনা ক্লাবঘরে বসে বোমা তৈরির ঘটনা সামনে আসতেই বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর।পুলিশ জানিয়েছে, বোমা কাণ্ডে ধৃতদের নাম বিকাশ ঘোষ, অপূর্ব পাল ও উৎপল দাস। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি কেতুগ্রাম থানার ইছাপুর ও মহুলা গ্রামে। উৎপল মুর্শিদাবাদের সালার থানার মাখালতোড় উত্তর মাঝিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এলাকা সৃত্রে খবর, বোমা বিস্ফোরণে বিকাশ ঘোষের একটি হাতের তালু কার্যত উড়ে যায়। সঙ্গীসাথীরা তাঁকে লুকিয়ে স্থানীয় এক হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করায়। তারই মধ্যে এই খবর পৌছে যায় কেতুগ্রাম থানায়। পুলিশ তিন জনকেই ধরে ফেলে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বৃহস্পতিবার তিন ধৃতদের কাটোয়া মহকুমা এসিজেএম আদালতে পেশ করে। বিচারক ধৃতদের ১৪ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্ধার হওয়া বোমা এদিন নিস্কৃয় করে বোম স্কোয়াড। ঘটনার বিষয়ে কেতুগ্রামের তৃণমূলের বিধায়ক শেখ শাহনেওয়াজ দাবি করেছেন, ওই ক্লাবটি বিজেপি আশ্রিত দুস্কৃতিদের দ্বারা পরিচালিত হয়। অশান্তি পাকানোর জন্য বিধানসভা ভোটের আগে ওই ক্লাবঘরে বোমা মজুত করেছিল বিজেপির দুস্কৃতিরা। বিষয়টি জানতে পেরে তখন তিনি পুলিশকেও জানিয়ে ছিলেন। বাস্তবেই যে ওই ক্লাব ঘরে বসে বিজেপির দুস্কৃতিরা বোমা বাঁধে তা এবার প্রমাণ হয়ে গেল। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যের বিরোধিতা করে কেতুগ্রামের বিজেপি নেতা অনিল দত্ত বলেন, ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই । তৃণমূলের চক্রান্তেই এই ঘটনা ঘটেছে ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Bomb Blast: বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো বর্ধমানের গ্রাম

ভোররাতে বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো বর্ধমানের গ্রাম। উড়ে গেল বাড়ি। বোমা ফাটার বিকট আওয়াজে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে। এই ঘটনায় জখম হয়েছে তিনজন। তাঁদের ভাতার গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ মনে করছে, সম্ভবত বাড়িতেই মজুত করা ছিল বোমা।শুক্রবার ঘটনাটি ঘটে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বাণেশ্বরপুর গ্রামে। এদিন বিস্ফোরণে মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ে যায়। জানা গিয়েছে, ভোর ৩ টে নাগাদ গ্রামবাসীরা বিকট আওয়াজ শুনতে পান। আওয়াজ শুনে তাঁরা বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়েন। তাঁরা দেখেন লালচাঁদের বাড়ি ভেঙে পড়েছে। বাড়ির ধ্বংস স্তূপের নীচে চাপা পড়েছিলন লালচাঁদ ও তার বাবা-মা। প্রতিবেশীরা ওই তিনজনকে উদ্ধার করে ভাতার গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। ভাতার থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানপুলিশের অনুমান, বাড়িতে রাখা বোমা ফেটে এই কান্ড ঘটেছে। ইতিমধ্যে লালচাঁদ ও তাঁর বাবাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ওই দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মুখে বর্ধমানে বিষ্ফোরণে মৃত শিশু, রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

বর্ধমানের রসিকপুরে বোমা বিস্ফোরণ। বোমার আঘাতে আহত হয় দুই শিশু। জানা গেছে, বর্ধমান শহরের রসিকপুরে বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে সেগুলি ফেটে যায়। এর ফলে শেখ আব্রাহাম ও শেখ আফরোজ নামে দুই শিশু আহত হয়। দুজনের বয়স বছর পাঁচ। তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা শেখ আফরোজকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনাস্থলে এসে পৌছায় বর্ধমান থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানায় পুলিশ।পুরো ঘটনার রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। ঘটনার খোঁজ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ভোটের আগে এই ঘটনা আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলে দাবি করেছে বিজেপি। ভোটের মুখে এই ঘটনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে বর্ধমান শহরে। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার।বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র দাবি, তৃণমূলের অফিসগুলো বোমা তৈরির কারখানা। খেলা হবে বলে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এটাই তার উদাহরণ। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক, নিন্দনীয় ঘটনা। খেলা হবে, ভয়ঙ্কর খেলা হবে। এসব বলা হচ্ছে। এদিকে শিশুর প্রাণ চলে যাচ্ছে। বুদ্ধিজীবীরা কোথায়। মুখ খুলুন। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের বক্তব্য, বিষয়টা দুঃখজনক, মর্মান্তিক। সমাজবিরোধীরাও বোমা তৈরি করে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি না করে তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।বিধানসভা নির্বাচনের মুখে কোথা থেকে এল এই বোমা? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মৃত নিষ্পাপ শিশুর দায় কে নেবে?

মার্চ ২২, ২০২১
বিদেশ

ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৬ জনের মৃত্যু আফগানিস্তানে

ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। এই বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত ৯০ জন। রবিবার সকাল ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণটি ঘটে আফগানিস্তানের ঘোর প্রদেশের ফিরোজ কোহায়। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উদ্ধারকাজ চলছে। আরও পড়ুনঃ অস্ট্রেলিয়ায় বাঙালি যুবকের লড়াইয়ের স্বীকৃ্তি , চালু বাংলায় সরকারি ওয়েবসাইট জানা গিয়েছে, যে এলাকায় একাধিক সরকারি অফিস ও আফগান পুলিশের দফতর রয়েছে, সেখানেই বিস্ফোরক বোঝাই বাসটিতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরণের পরই গোটা এলাকা ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন এর দায় স্বীকার করেনি।

অক্টোবর ১৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal